সুনামগঞ্জ , বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬ , ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফসলরক্ষা বাঁধের নির্মাণ কাজে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা: সুনামগঞ্জের ডিসি ইলিয়াস মিয়া পুত্রের মুক্তি দাবিতে পিতার সংবাদ সম্মেলন শ্রেণিকক্ষে তালা দিলো বিএনপি নেতার ছেলে ডিলারের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কৃষকদলের আবেদন বাঁধের কাজে বিলম্বে উদ্বেগ, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামালগঞ্জে রাঈদ মাহমুদ স্মৃতি মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত গ্রিনল্যান্ড আমাদের লাগবেই : ট্রাম্প সিলেট নয়, বগুড়া থেকে শুরু হতে পারে তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম ভূমিকম্পে কাঁপলো সিলেট প্রার্থীদের হলফনামায় দুদকের নজর রয়েছে : দুদক চেয়ারম্যান নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাতকে মানববন্ধন শান্তিগঞ্জে উদ্বোধনেই সীমাবদ্ধ ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ লাফার্জ হোলসিম কোম্পানির শব্দদূষণ কনভেয়ার বেল্টের শব্দে অতিষ্ঠ ১০ গ্রামের মানুষ লঞ্চঘাটে দখলমুক্ত সরকারি ভূমি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জামালগঞ্জে ডেভিল হান্ট (ফেইজ-২) অভিযানে গ্রেফতার ২ শাল্লায় ১২৪টি প্রকল্পে কোনো অগ্রগতি নেই সরকারি সার বিক্রি হচ্ছে কালোবাজারে নিয়ম রক্ষার উদ্বোধন, ২০ দিনেও শুরু হয়নি কাজ শান্তিগঞ্জে ‘হাওর বাঁচাও আন্দোলন’ উপজেলা কমিটির অভিষেক সাংবাদিকতায় চার দশক পূর্তিতে আকরাম উদ্দিনকে সংবর্ধনা

শাল্লায় ১২৪টি প্রকল্পে কোনো অগ্রগতি নেই

  • আপলোড সময় : ০৫-০১-২০২৬ ০৯:৪৫:০৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৫-০১-২০২৬ ০৯:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শাল্লায় ১২৪টি প্রকল্পে কোনো অগ্রগতি নেই
স্টাফ রিপোর্টার ::
শাল্লায় এখন পর্যন্ত ১২৪টি পিআইসির কাজ শুরুই হয়নি। এমন তথ্যই জানিয়েছেন খোদ প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) লোকজন। গত ১৫ ডিসেম্বর লোকদেখানো একটি পিআইসি ও ৪ জানুয়ারি বরাম হাওর উপ-প্রকল্পের ৪০নং পিআইসির উদ্বোধন ছাড়া অন্য ১২৪টি প্রকল্পের আর কোনও অগ্রগতি লক্ষ করা যায়নি। এমনকি বেশ কয়েকটি প্রকল্পে এখন পর্যন্ত পিআইসি গঠন প্রক্রিয়া পর্যন্ত থমকে আছে। এনিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাল্লা শাখা কর্মকর্তা ওবাইদুল রহমান জানান, পিআইসির কাজ শুরু হয়েছে ১০টি প্রকল্পে। এরমধ্যে বেশ কয়েকটি পিআইসি কমিটি গঠনও বাকি আছে। তবে বরাম হাওরের পাঠাখাউরি প্রকল্প থেকে সব প্রকল্পে কাজ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে, বরাম হাওরের পাঠাখাউরি (ক্লোজার) প্রকল্পে ৪ জানুয়ারি রোববার থেকে কাজ মাত্র উদ্বোধন করা হয়েছে বলে জানান ওই ৪০নং প্রকল্পের সভাপতি শৈলেন দাস। তিনি বলেন, আমার প্রকল্পে আজ (৪ জানুয়ারি) থেকে বাঁধে মাটি কাটার কাজের উদ্বোধন হয়েছে। এই প্রকল্প ছাড়া বরাম হাওরে আর কোনও প্রকল্পে কাজ শুরু হয়নি বলে জানান শৈলেন দাস। প্রকল্পের সদস্য সচিব লোকেশ দাসও একই কথা জানান। লোকেশ দাস বলেন, আমাদের বরাম হাওরে ৪০নং পিআইসির ৬০মিটার বাঁধে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৩৮ লাখেরও বেশি টাকা। তিনি আরও বলেন, একই মেশিনে ১২৪ নং পিআইসির কাজও করবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কৃষকর জানান, বরাম হাওরে ১০টা পিআইসির মধ্যে একটা পিআইসির বাঁধেও কাজ শুরু হয় নাই। এসও মিথ্যাচার করছেন বলে অভিযোগ তাদের। অন্যদিকে গত ১৫ ডিসেম্বর উদ্বোধন হওয়া ২৭নং পিআইসির কাজও অসমাপ্ত রেখে অপারগতা প্রকাশ করেছেন স্বয়ং পিআইসির সভাপতি।

এ বিষয়ে ভান্ডাবিল হাওর উপ প্রকল্পের ২৭নং পিআইসির সভাপতি কালাবাসী দাস বলেন, আমাকে শুরুতে যতটুকু বাঁধের জায়গায় মাটি কাটার কথা বলা হয়েছে এখন তার চেয়েও কয়েকশো মিটার বেশি কাজ করার কথা বলা হয়েছে। ওই বাড়তি অংশে কাজ করলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন বলে জানান তিনি। তবে শাখা কর্মকর্তা এসও ওবাইদুল রহমান বলেন, ২৭নং পিআইসি জানিয়েছেন তারা মাটি কাটার সমস্যায় পড়েছেন। তারা যতটুকু কাজ করবেন ততটুকুই বিল পাবেন। এমন পরিস্থিতিতে বাঁধের বাকি অংশের কাজ কারা করবেন এটি ঠিক করবে উপজেলা কমিটি। অন্যদিকে হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ মেরামতের কাজে পিআইসি এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মধ্যে শুরুতেই এসব টানাপোড়েনের ঘটনা নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ সংস্কার কাজের ধীর দেখে সচেতন সমাজও উদ্বেগ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কাবিটা স্কিম প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সব প্রকল্পের কাজ শুরু করবো আমরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে পারবেন বলে জানান তিনি। জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ সংস্কার কাজে উপজেলার ৬টি হাওরে ৮৬ কিলোমিটার বাঁধের ভাঙাবন্ধকরণ ও মেরামত কাজের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২৯ কোটি টাকারও বেশি। বিপরীতে পিআইসি কমিটি গঠন করা হয়েছে ১২৬টি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স